ডক্টর'স হেল্প সার্ভিস টেপামধুপুর।
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ডক্টর'স হেল্প সার্ভিস টেপামধুপুর।, Health/Beauty, Rangpur.
"একটি সেচ্ছাসেবী টিম"
* কোন রোগের জন্য কি ডাক্তার দেখাবেন?
* কোন ডাক্তার কে দেখাবেন?
* সিরিয়াল নিয়ে ভোগান্তি?
* টেস্টে ডিসকাউন্ট পাচ্ছেন না?
* ইমার্জেন্সি সিজার করাতে হবে?
* সার্জারী করাতে হবে?
সব সমাধান এখানেই-
প্রয়োজনে ইনবক্স অথবা কল- 01867-198761
13/07/2026
রংপুর এর সেরা মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের তালিকা।
"ডক্টর'স হেল্প সার্ভিস টেপামধুপুর"
"একটি সেচ্ছাসেবী টিম"
* কোন রোগের জন্য কোন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাবেন?
* কোন ডাক্তার কে দেখাবেন ?
* ডাক্তার কোথায় বসে?
* সিরিয়াল নিয়ে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন?
* টেস্টে ডিসকাউন্ট পাচ্ছেন না?
* ইচ্ছে মতো টেস্টে টাকা নিচ্ছে?
* ইমার্জেন্সি সিজার করাতে হবে?
* সার্জারী করাতে হবে?
সব সমাধান এখানেই-
আমাদের টিম এর কাছে আপনি এসব বিষয়ে পরামর্শ নিতে পারবেন ও প্রয়োজনে তাদের সাহায্য নিয়ে কাজ করতে পারবেন।
আমাদের আছে রংপুর শহরের ধাপ এলাকায় নিজস্ব হাসপাতালের সুবিধা। দক্ষ্য সার্জারী টিম। ডিউটি ডাক্তার ও দক্ষ্য নার্স দ্বারা ২৪ ঘন্টা সেবা।
নিজস্ব ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সাপোর্ট। এক ঝাক দক্ষ্য মেডিকেল টেকনোলজিস্ট।
আমাদের লক্ষ্য সবার আগে সেবা।
প্রয়োজনে ইনবক্স অথবা কল- 01867-198761
03/04/2026
** শিশুদের হাম (Measles) হলে ভিটামিন এ ক্যাপসুল দেওয়া অত্যন্ত জরুরি এবং এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ও বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক স্বীকৃত একটি চিকিৎসা পদ্ধতি।
**হামের ক্ষেত্রে ভিটামিন এ ক্যাপসুলের গুরুত্ব এবং ডোজ নিচে দেওয়া হলো:
হাম হলে ভিটামিন এ ক্যাপসুলের উপকারিতা
হামের সময় শরীরে ভিটামিন এ-র মাত্রা দ্রুত কমে যায়। ভিটামিন এ ক্যাপসুল দিলে নিম্নলিখিত জটিলতাগুলো কমানো সম্ভব হয়:
**অন্ধত্ব প্রতিরোধ: হামের কারণে শিশুদের চোখে ঘা বা কর্নিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অন্ধ হওয়ার ঝুঁকি থাকে, যা ভিটামিন এ প্রতিরোধ করে।
**মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস: হাম পরবর্তী নিউমোনিয়া এবং ডায়রিয়ার তীব্রতা কমিয়ে দেয়, যা শিশুর মৃত্যুঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনে।
**দ্রুত সুস্থতা: এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity) বাড়িয়ে দেয়, ফলে শিশু দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে।
হামের চিকিৎসায় ভিটামিন এ-র ডোজ (মাত্রা)
হামের লক্ষণ দেখা দিলে সাধারণত পরপর দুই দিন দুটি ডোজ দিতে হয়। শিশুর বয়স অনুযায়ী ডোজের পরিমাণ নিচে দেওয়া হলো:শিশুর বয়স ডোজ (পরপর দুই দিন)
৬ মাসের কম ৫০,০০০ IU (আইইউ)
৬ মাস থেকে ১১ মাস ১,০০,০০০ IU (নীল রঙের ক্যাপসুল)
১২ মাস বা তার বেশি (১-৫ বছর) ২,০০,০০০ IU (লাল রঙের ক্যাপসুল)
বিশেষ দ্রষ্টব্য:
১. যদি শিশুর মধ্যে চোখের কোনো গুরুতর সমস্যা (যেমন কর্নিয়ায় ঘা) দেখা দেয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শে ৪ সপ্তাহ পর তৃতীয় একটি ডোজ দেওয়া লাগতে পারে।
২. হাম আক্রান্ত শিশুকে পর্যাপ্ত তরল খাবার, মায়ের দুধ (যদি শিশু বুকের দুধ পান করে) এবং পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে হবে।
আপনার এলাকার নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র বা কোনো রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে এই ডোজগুলো নিশ্চিত করা সবচেয়ে নিরাপদ। যেহেতু হাম একটি সংক্রামক রোগ, তাই শিশুকে আলাদা রাখা এবং দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা জরুরি।
02/04/2026
বাচ্চাদের ডায়রিয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো রোটাভাইরাসের ইনফেকশন।
এই রোটাভাইরাস প্রতিরোধ করার জন্য বাচ্চাকে রোটা ভ্যাক্সিন দেওয়া হয়।
রোটা ভ্যাক্সিনের ডোজঃ
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
এ ভ্যাক্সিনের দুটি ডোজ নিতে হয়।
* প্রথম ডোজঃ বাচ্চার বয়স ৬ সপ্তাহ বা দেড় মাস হলে 1ml পরিমান Rotarix মুখে খাওয়াতে হবে।
* দ্বিতীয় ডোজঃ প্রথম ডোজের ৪ সপ্তাহ পর তবে এটি বাচ্চার বয়স ৬ মাস পুর্ণ হওয়ার আগ পর্যন্ত নেওয়া যাবে।
22/01/2026
আজকের বিষয় নবজাতকের নাভি যত্ন:
- নাভি সাধারণত ৭–১০ দিনের মধ্যে শুকিয়ে ঝরে পড়ে। যত্ন না নিলে সংক্রমণ হতে পারে।
* ১. শুকনো রাখুন
- বাতাস লাগতে দিন, ঢেকে রাখবেন না
- ডায়াপার নাভির উপরে না আসা নিশ্চিত করুন
*২. গোসলের নিয়ম
- সরাসরি টাবে ডুবাবেন না
-স্পঞ্জ বাথ করুন, নাভি ভিজলে তুলা দিয়ে আলতো চাপুন
- ৩. যা করবেন না
- সরিষার তেল, পাউডার, মলম( ভুলেও ব্যবহার করবেন না)
-অ্যালকোহল/অ্যান্টিসেপটিক ডাক্তার না বললে ব্যবহার করবেন না
* ৪. নাভি ঝরার ধাপ
- হলুদ → বাদামী → কালো → ঝরে পড়ে
-টান দেবেন না, নিজে থেকে পড়তে দিন
* ৫. ডাক্তার দেখানোর লক্ষণ-
- লাল, ফুলে যাওয়া
- পুঁজ বা দুর্গন্ধ
- রক্তপাত
- নাভি স্পর্শে বাচ্চা কাঁদা
-জ্বর বা নিস্তেজ হওয়া
পরিষ্কার, শুকনো ও ধৈর্যই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
#চুল_পড়ার_কারণ ও এর #সমাধান পর্ব - ২
( পরবর্তী ও শেষ অংশ )
সমাধান খুব কঠিন না, আবার খুব সহজও না। ধৈর্য্য ধরে যত্ন করার সময় বের করতে পারলেই পরিবর্তন চোখে পড়বে।
হুজুগে “ওয়ান উইক অমুক তমুক” চ্যালেঞ্জ নিয়ে কোন লাভ নেই যদি সেটার দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার না করা হয়।
ধরুন আপনার বাচ্চাকে একদিন খুব আড়ম্বরভাবে কাচ্চি বিরিয়ানি খাওয়ালেন, আর পরের তিনদিন তাকে কোন খাবারই দিলেন না, হবে তাহলে?
যত্ন প্রতিনিয়ত করতে হবে।
চুলের যত্ন কিভাবে নিবো?
হেয়ারপ্যাক কিনেছেন, খুবই ভালো কথা। অইটা একটু পাশে রাখুন। আগে প্রয়োজন বুঝতে শিখুন। এরপর বিলাসিতা।
-জীবনযাত্রায় নিয়ম ইন্সটল করুন।
-খাবার মিস দেওয়া, বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে কোনোরূপ উদরপূর্তির অভ্যাস ত্যাগ করুন।
-খাওয়ার উদ্দেশ্য কেবল পেটের গর্জনকে শান্ত করা নয়, শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টিও প্রদান করতে হবে।
কোন কোন খাদ্য উপাদান স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য জরুরী?
-প্রোটিন
-ভিটামিন এ, বি, সি, ই
-জিংক
-আয়রন
-অমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড
-প্রোটিনের সহজলভ্য উৎস ডিম।
- টকজাতীয় ফল (কমলা, আমলকি) এ প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে, যা কোলাজেন তৈরিতে সাহায্য করে। চুল মজবুত করে।
- ভিটামিন এ এর জন্যে সবুজ শাকসবজি আর রঙিন ফলমূল খেতে পারেন।
- সাথে বাদাম, যাতে আছে ভিটামিন ই।
-অমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড চুলচক্রকে ত্বরান্বিত করে। দুধ, মাছ, মাছের তেল, সয়াবীনে এটি পাওয়া যায়।
চুলের পুষ্টি নিশ্চিত করার পর প্রশ্ন আসে কতদিন পরপর শ্যাম্পু করা উচিত?
শ্যাম্পুকে যতটা ভিলেন বানিয়ে ফেলেছি, বেচারা আসলে ততটা খারাপ না। চুলের ধরণ আর সেটি কতটা ধূলাবালিতে এক্সপোজড হচ্ছে সেটার উপর নির্ভর করবে কত ঘন ঘন শ্যাম্পু করতে হবে।
মনে রাখবেন, শ্যাম্পু করতে হয় গোড়ায়, আর তেল দিতে হয় আগায়।
বাজারজাত কন্ডিশনারের চেয়ে নারিকেল তেল বেশি কার্যকরী।
নারিকেল তেল অণুজীবঘটিত চুলপড়া রোধ করে, খুশকি কমায়। এতে আছে ভিটামিন ই। যা চুলকে মজবুত করে। সপ্তাহে কমপক্ষে একদিন মাথায় গরম তেল ম্যাসাজ করুন। ম্যাসাজে রক্তসঞ্চালন বাড়ে। আর রক্তপ্রবাহ বাড়া মানে ত জানেনই! চুলের বৃদ্ধি।
-নিয়মিত চুল আঁচড়াবেন।
- লম্বা চুলে জট ছাড়ানোর সময় নিচ থেকে ধাপে ধাপে উপরের দিকে যান।
-ভেজা চুল কম ম্যানিপুলেশনের চেষ্টা করুম।
-যত আর্টিফিশিয়াল স্টাইলিং প্রসেস আছে, সব এড়িয়ে চলুন।
- আপনাকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনার কাছে চুলের স্বাস্থ্য জরুরি নাকি চুলের রঙ আর কার্ল।
- বাইরে গেলে স্কার্ফ দিয়ে চুল ঢেকে রাখুন। কারণ আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি চুলের ক্ষতি করে।
( নারীদের ক্ষেত্রে, পুরুষরা ছাতা ব্যাবহার করবেন।)
আজকাল চুল পড়া কমানোর জন্যে হরেক রকম উপাদানের উপকারিতা সম্বন্ধে ব্যাপক প্রচার করা হচ্ছে।
যেমন-আমলকি, পেঁয়াজ, বাদাম তেল, ক্যাস্টর তেল, কারিপাতা, মেথি, শিকাকাই, তিসি, চালধোয়া পানি, মেহেদী, নিম ইত্যাদি।
এই প্রাকৃতিক উপাদানগুলোর সবগুলোই কমবেশি কাজ করে। তবে সমস্যা হলো আপনাকে প্রত্যক্ষ ফলাফল পেতে নিয়মিত হতে হবে।
সব উপাদান মাঝে একটা উপাদানের কথা না বললেই নয়। সেটা হচ্ছে, খুবই আন্ডাররেটেড একজন সেলেব-
😁 মিস্টার পেঁয়াজ😁
পেঁয়াজে আছে সালফার, পটাশিয়াম, ভিটামিন সি, B1, B6, B7, ফলিক এসিড, ট্যানিন, কপার, ম্যাংগানিজ, ফ্ল্যাভনয়েড, ফাইটোনিট্রিয়েন্ট, পলিফেনল ইত্যাদি।
সালফার- এন্টি ব্যাকট্যারিয়াল এবং এন্টিফাংগাল।
এটা রক্তপ্রবাহ বাড়ায়।
পেঁয়াজের রস, অকালে চুল পেকে যাওয়াও রোধ করে। কারণ এতে আছে ক্যাটালেজ নামক এনজাইম।
J.M.Wood এর Hair greying এর থিওরীতে চুল পাকার জন্য হাইড্রোজেন পারঅক্সাইডকে দায়ী করা হয়। ক্যাটালেজ, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইডকে লাইসিস করে। ফলে চুল পাকা রোধ হয়।
কিভাবে ব্যবহার করবেন পেঁয়াজের রস?
পেঁয়াজকে ব্লেন্ড করে রস ছেঁকে নিয়ে চুলের গোড়ায় ভালোভাবে লাগিয়ে নিন। শাওয়ার ক্যাপ বা পলিব্যাগ দিয়ে ২ ঘণ্টা মাথা ঢেকে রাখুন। এরপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। একবার ব্যবহারে মিরাকেল আশা না করে প্রত্যাশাকে বাস্তবতার সীমায় আবদ্ধ রাখুন।
যেই ভুলটা আমরা সচরাচর করি, সেটা হলো, কোন জিনিস ভালো শুনলে সেটাকে অতিরিক্ত পরিমাণে ব্যবহার করি। পেঁয়াজের রসও প্রতিদিন ব্যবহার করার জিনিস না।
বেশি ব্যবহার করলে মাথাব্যথা হতে পারে। কারণ সালফার রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করে।
(একই মেকানিজমে মাইগ্রেনে ভ্যাসোডাইলেটর দিলে মাথাব্যথা বাড়ে)।
সপ্তাহে একবার ব্যবহার করবেন। ব্যবহারের পূর্বে Patch test করে নিবেন। সাথে ডায়েটে কাচা পেঁয়াজ রাখার অভ্যাস কর্যন। সালফার ক্যারাটিন উৎপাদনেও সাহায্য করে।
ভিটামিন - সি সব সময় খাদ্য তালিকায় রাখুন। প্রতিদিন ২ টি আমলকি বা ৪ টি জলপাই খেতে পারেন। অথবা ১ টু লেবু। দিনে অর্ধেক রাতে অর্ধেক।
সাম্প্রতিক জীবনযাত্রায় আসলেই আর আগের মত সুন্দর স্বাস্থ্য আর মজবুত চুল রক্ষা করার মত অবস্থা নেই। বাস্তবতাকে গ্রহণ করুন।
আমার দাদীর চুল মাটিতে গড়াগড়ি খেতো!! আর আমার চুলের এই অবস্থা কেন !! এই হা হুতাশ না করি চলুন।
একটা বাস্তব প্রত্যাশা রেখে চুলের যত্ন নেওয়া শুরু করুন। দেখবেন, আপনার চুলে আপনার যত্নের প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছেন।
এর পরেও আশানুরূপ ফলাফল না পেলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।
পড়াশেষে Done লিখুন..
Dr. HM Rukon
Collected From 20 Minute Medical Skill Development
চুল পড়ার কারণ ও সমাধানঃ পর্ব -১
চুল পড়ার সমাধান নিয়ে কথা বলার আগে চুল কি? কিভাবে গঠিত হয়? কিভাবে পড়ে সেই দিকের কনসেপ্ট টা একটু ক্লিয়ার করে আসি। সেক্ষেত্রে আপনাদের বুঝতে সুবিধা হবে।
গঠন চিন্তা করলে চুল হলো প্রোটিন (ক্যারাটিন)। ত্বকের ডার্মিস স্তরের হেয়ার ফলিকল থেকে চুল তৈরী হয়। ডার্মিসের রক্তনালিকা থেকে হেয়ার ফলিকল পুষ্টি আর গ্রোথ ফ্যাক্টর লাভ করে। স্ক্যাল্পের রক্তপ্রবাহ তাই যত ভালো হবে, হেয়ার ফলিকলও তত বেশি গ্রোথফ্যাক্টর পাবে আর চুলও বাড়বে।
চুল চক্রের ৪ টা ধাপ-
(১) এনাজেন।
(২) ক্যাটাজেন।
(৩) টেলোজেন।
(৪) এক্সোজেন।
আপনার চুলের দৈর্ঘ্য #এনাজেন ধাপের স্থায়িত্বকালের উপর নির্ভর করে।
আমি চুলে তেল দিই, নিয়মিত শ্যাম্পু করি, চুল আঁচড়াই, পুষ্টিকর খাবার খাই, তাও আমার চুল কেন কাঁধ ছাড়ায় না? কারণ আপনার এনাজেন ধাপের স্থায়িত্ব কম।
এনাজেন কত দীর্ঘ হবে সেটা কিছুটা #হেরিডিটারি ।
একটা আপাত রেঞ্জ বলতে বললে ৩-৬ বছর বলা যায়।
ধরে নিই, আপনার এনাজেন ধাপ ৩ বছর আর আপনার চুল প্রতিদিন ০.৪৪ মিমি করে বাড়ে। তাহলে চুলের দৈর্ঘ্য দাঁড়ালো ৪৮.১৮ সেমি। এনাজেন ধাপ ৬ বছর ধরলে সেটা হয় ৯৬.৩৬ সেমি।
বুঝলেন তো “এক সপ্তাহে এক ইঞ্চির” বিজ্ঞাপন কেন বিশ্বাস করা যাবে না এখন থেকে? কারণ একেক জনের বৃদ্ধি আর এনাজেনের স্থায়িত্ব একেক রকম।
#এনাজেনের শেষে শুরু হয় #ক্যাটাজেন। এটা রেস্টিং ধাপ।
এরপর #টেলোজেন।
এই সময় হেয়ার শ্যাফট, ফলিকল থেকে আলাদা হতে শুরু করে। ব্লাড সাপ্লাই কমতে থাকে। এক্সোজেন ধাপে চুল সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। যেটাকে আমরা চুলপড়া বলি।
একটা ভালো কথা হচ্ছে, সব চুল কখনো একসাথে একই ধাপে থাকে না। নাহলে দেখা যাবে, শীতকালে গাছের পাতার মত আপনার মাথার সব চুলও পড়ে গিয়েছে।
দিনে ১০০ টার কাছাকাছি চুল পড়া স্বাভাবিক।
বসে বসে একটা একটা করে চুল গুণতে শুরু করে দিয়েন না এখন।
১০০ টার বেশি হলে “হায় হায় আমার চুল চলে যাচ্ছে, আমার কি হবে?”-ভেবে দুশ্চিন্তাও করবেন না।
কারণ, স্ট্রেস চুলপড়ার একটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ।
স্ট্রেস কি তার উদাহরণ নিচে দিচ্ছি। তার আগে মেকানিজম ব্যাখ্যা করি।
আমাদের শরীর মেন্টাল স্ট্রেসকে ফিজিক্যাল স্ট্রেসের সাথে গুলিয়ে ফেলে।
আপনি চুলপড়া নিয়ে দুশ্চিন্তা করবেন, আপনার স্ট্রেস হরমোন রিলিজ হবে, শরীর ভাববে আপনাকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।
সে রক্তপ্রবাহকে হৃৎপিন্ড, কিডনীর দিকে নিয়ে যাবে। আর এদিকে স্ক্যাল্পের রক্তপ্রবাহ আরো কমবে। গ্রোথ সিগ্ন্যাল কমবে। চুলের বৃদ্ধিও কমবে। চুল অকালে পড়বে।
স্ট্রেসের কারণে চুলপড়ার এই অবস্থাকে মেডিকেলের ভাষায় বলা হয়।
তো কি বুঝা গেলো?
আর যাই করেন, চুলপড়া নিয়ে দুশ্চিন্তা করা যাবেনা।
বর্তমান বিশ্বে অকালে চুলপড়ার একটা অন্যতম কারণ এই স্ট্রেস।
👉একাডেমিক জীবনে হাইয়েস্ট নাম্বার পাওয়ার স্ট্রেস।
👉 কর্মজীবনে হাইয়েস্ট স্যালারী পাওয়ার স্ট্রেস।
👉 গুলশান, ধানমন্ডিতে ফ্ল্যাট কেনার স্ট্রেস।
👉বিয়েতে এলাহি কান্ড করার স্ট্রেস।
👉হানিমুনে সুইজারল্যান্ড যাওয়ার স্ট্রেস।
👉 ছেলেমেয়েকে মানুষ করার স্ট্রেস।
..................…চলমান।
স্ট্রেসের শেষ নেই।
এটা এতো বৃহৎ যে ক্রোনিক স্ট্রেস নিয়ে আলাদা আর্টিকেল লিখা যাবে। 😑😑
চুলপড়ার ধরন নারী পুরুষে আলাদা।
ছেলেদের যে টাক হয় তাকে বলা হয়
অথবা .
মেয়েদের চুল পড়াকে বলা হয়
.
Male pattern Baldness জেনেটিক্সের সাথে জড়িত।
কারো পরিবারে টাক এর হিস্ট্রি থাকলে তার মধ্যেও এই প্যাটার্ন লক্ষ্য করা যায়। এই প্যাটার্নের বৈশিষ্ট্য হলোঃ-
👉কপালের পাশ থেকে চুল কমে যাওয়া।
👉M শেপড হেয়ারলাইন।
👉হেয়ারলাইন ক্রমশ পিছনে চলে যাওয়া।
ছেলেদের টাক এর প্যাথলজী অনেকটাই ক্লিয়ার। এর জন্য দায়ী করা হয় DHT (dyhydrotestosterone) কে।
👉অপরিমিত ঘুম,
👉অতিরিক্ত মদ্যপান,
👉ক্রমাগত দুশ্চিন্তা,
👉অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস আর অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রার প্রভাবে টেস্টোস্টেরনের উৎপাদন কমে যায়।
স্বাভাবিকভাবে টেস্টোস্টেরন হেয়ার ফলিকলের রিসেপ্টরে যুক্ত হয়ে চুলবৃদ্ধি করে।
কিন্তু যখন টেস্টোস্টেরন কমে যায় শরীর তখন এর অধিক পটেন্ট ফর্ম DHT তৈরি করে ফাইভ আলফা রিডাক্টেজের মাধ্যমে।
DHT এনাজেন ধাপকে সংক্ষিপ্ত করে টারমিনাল হেয়ারকে ভেলাস হেয়ার এ পরিণত করে। ফলে অকালে চুল পড়ে আর টাক সৃষ্টি হয়।
Female pattern hairloss এর প্যাথলজী সম্বন্ধে এখনো স্পষ্ট কারণ জানা যায়নি। মেয়েদের ক্ষেত্রে হেয়ারলাইন অপরিবর্তিত থাকে। তবে তালুর দিকে চুল পাতলা হয়ে যায়।
এছাড়াও বিভিন্ন মেডিকেল কন্ডিশনের কারণে চুল পড়ে।
যেমনঃ - এনিমিয়া (রক্তস্বল্পতা)। এখানে স্ক্যাল্প পর্যাপ্ত পুষ্টি পাচ্ছেনা। সুতরাং বৃদ্ধিও ভালো হবে না।
এছাড়া ডায়রিয়াজনিত রোগের পর বা এন্টিবায়োটিক সেবনের পর অধিক হারে চুল পড়তে দেখা যায়। এর কারণ #বায়োটিন_ডেফিসিয়েন্সি।
বায়োটিন তৈরি হয় গাটের ব্যাকটেরিয়া থেকে। ক্রনিক ডায়রিয়া বা এন্টিবায়োটিকে বায়োটিন উৎপাদন কমে যায় বলেই চুল পড়া বৃদ্ধি পায়।
এই হলো পুরুষ নারীদের চুল ও চুল পড়ার মুটামুটি একটা ইতিবৃত্ত।
পরবর্তী পর্বে এর সমাধান নিয়ে আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ। পর্ব ২ পাওয়ার জন্য পড়াশেষে Done লিখুন..
লিখেছেন,
Dr. HM Rukon
Collected From 20 Minute Medical Skill Development
🌴সকলের জানা উচিত!!!
০১. আপনার পাকস্থলী কখন ভীত; যখন আপনি সকালে ব্রেকফাস্ট করছেন না।
০২. আপনার কিডনি কখন আতঙ্কিত; যখন আপনি ২৪ ঘন্টায় ১০ গ্লাস পানি পান করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।
০৩. আপনার গলব্লাডার ভীত; যখন আপনি রাত ১১টার মধ্যে ঘুমাতে এবং সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিছানা ছাড়তে ব্যর্থ হচ্ছেন।
০৪. আপনার ক্ষুদ্রান্ত্র আতঙ্কিত; যখন আপনি ঠান্ডা এবং বাসী খাবার খাচ্ছেন।
০৫. বৃহদান্ত্র আতঙ্কিত; যখন আপনি ভাজা-পোড়া এবং ঝাল মশলাযুক্ত খাবার বেশি খাচ্ছেন।
০৬. ফুসফুস তখন ভীত; যখন আপনি ধোঁয়া, ধুলা এবং বিড়ি ও সিগারেটের বিষাক্ত আবহাওয়ায় থাকছেন।
০৭. লিভার ভীত; যখন আপনি অতিরিক্ত ভাজা, জাঙ্কফুড এবং ফাস্টফুড খাচ্ছেন।
০৮. হৃদপিন্ড ভীত; যখন আপনি বেশি লবণ এবং কোলেস্টরলযুক্ত খাবার খাচ্ছেন।
০৯. প্যানক্রিয়াস আতঙ্কিত; যখন আপনি সহজলভ্য এবং সুস্বাদু বলে প্রচুর মিষ্টিজাত খাবার খাচ্ছেন।
১০. আপনার চোখ আতঙ্কিত; যখন আপনি অন্ধকারে মোবাইলের আলো এবং কম্পিউটার স্ক্রীনের আলোয় কাজ করছেন।
১১. আপনার মস্তিষ্ক ভীত; যখন আপনি নেতিবাচক চিন্তাকে প্রশ্রয় দেয়া শুরু করেছেন।
সুতরাং আপনার শরীরের অঙ্গ প্রতঙ্গসমূহের যত্ন নিন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Rangpur